।। কথা ।।
কবিতা আশ্রম
ছাপাঅক্ষরে প্রকাশ হয় প্রতিমাসে। তবু আবার ব্লগজিন কেন? ওয়েব-ম্যাগাজিন না
প্রিন্টেট ম্যাগাজিন---–কোনটার মূল্য বেশি? কোন মাধ্যমটিকে পাঠক পছন্দ করেন?
ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে সাহিত্য প্রকাশের মাধ্যম? আমাদের বিশ্বাস সময়ের সঙ্গে তাল
মিলিয়ে দুটো মাধ্যমেরই পাঠক থাকবে। তাছাড়া দূরত্বের কারণে যেসব জায়গায় ছাপা
পত্রিকা পাঠানো অসম্ভব হয়, সেখানকার পাঠক ওয়েব-ভার্সন পড়তে পারবে। সে-জন্যই কবিতা
আশ্রম পত্রিকার নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রতিমাসের সফ্টকপি আপলোড করা হয়। আশ্চর্যের
সঙ্গে দেখি প্রতি মাসেই ডাউনলোড সংখ্যা দশ হাজার ছাড়িয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে দুটো
মাধ্যমকেই মান্যতা দিতে হবে। বনেদিয়ানার সঙ্গে চলুক-না আধুনিকতা! ক্ষতি কী! কবিতা
আশ্রম-এর জুন সংখ্যা থেকেই শুরু হয়েছে গ্রন্থসমালোচনার নতুন বিভাগ ‘বই উৎসব’।
নিভৃতে থাকা অপ্রচারিত বলিষ্ঠ কবিদেরই প্রাধান্য দিয়ে থাকে কবিতা আশ্রম। গ্রন্থসমালোচনার
ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হবে না। ব্লগজিনের উদ্দেশ্য আরও বেশি সংখ্যক পাঠকের কাছে
পৌঁছোনো। আর প্রিন্ট আকারে পত্রিকা প্রকাশের বিপুল খরচের জন্য আমাদের সামর্থ্যও
সীমিত হয়ে যায়। সেখানে আরও বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা যায় ব্লগজিনে। কত বই! কত
ধরনের লেখক! কবিতা প্রকাশ ছাড়াও অনেক দায় আছে যে! শ্রেষ্ঠ নয়,সমগ্রের
খোঁজে---কবিতা আশ্রম!
এই সংখ্যায় যাঁদের কাব্যগ্রন্থ আলোচিত হয়েছে—
মারুত কাশ্যপ, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, রণদেব দাশগুপ্ত, গৌরব চক্রবর্তী, প্রমিতা ভৌমিক, অঙ্কুর
মজুমদার, সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিমন্যু মাহাত, রফিক উল ইসলাম, আদিত্য
মুখোপাধ্যায়।
শিরোনাম: ‘আমাকে মুছে দাও, অবহেলায়...’
আলোচক: পাঠক সেনগুপ্ত
লেখাটি কবিতা আশ্রম-এর জুন ২০১৮ সংখ্যায় প্রকাশিত।
ব্লগজিনে সংযোজন: আলোচিত কাব্যগ্রন্থের কবিদের
ছোট্ট সাক্ষাৎকার। যদিও আদিত্য মুখোপাধ্যায় ও অভিমন্যু মাহাত-র সাক্ষাৎকার আমরা পাইনি। রফিক উল ইসলাম হাতে লিখে উত্তর দিয়েছেন। তাঁর শৈল্পিক হাতের লেখায় মুগ্ধ হয়ে আমরা সেটাই রেখে দেবার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
অলংকরণ: মণিশঙ্কর |